‘হ্যালিটোসিস’ প্রথম দর্শনে পাঠকমন হোঁচট খেতে পারে। যার আক্ষরিক অর্থ মুখের দুর্গন্ধ। কেন এমন নাম? প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে প্রবেশ করতে হবে আহসান ইমামের কবিতার কল্পচিত্রের গভীরে। অত্যন্ত প্রতীকী এক ব্যঞ্জনা ‘হ্যালিটোসিস’। সময়, সমাজ ও সভ্যতার এক অদৃশ্য ক্লেদের এক রূপক দুর্গন্ধের কথা বলে। যার উৎস ভণ্ডামি, হিংসা, রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা আর মানবিক অবক্ষয়।
বইটি ক্লেদাক্ত সময়ের নাভিশ্বাস। এখানে কবি একাধারে দ্রোহী ও সংবেদনশীল। বইয়ের ‘ফিলিস্তিনি পদাবলি’, ‘ধিক্কার নিয়াহু’ বা ‘জ্বলছে’-এর মতো কবিতাগুলো বিশ্বজুড়ে চলতে থাকা অন্যায়, নিপীড়ন আর মানবতাবিরোধী নৃশংসতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। কবির শব্দরাজি এখানে কর্কশ, কারণ তিনি সত্যকে কোনো আবরণে ঢাকতে রাজি নন। ‘হিংসার উৎসব’, ‘সাফল্যের চাবি’ বা ‘দলবদল’-এর মতো কবিতায় উন্মোচন করেন চারপাশের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভণ্ডামির মুখোশ, যা পাঠককে অস্বস্তিকর এক আয়নার সামনে দাঁড় করায়।
কাব্যগ্রন্থটি কেবলই দ্রোহ, দহন আর ক্ষতের নয়। এর আশ্চর্য বৈপরীত্য আর স্নিগ্ধতা লুকিয়ে আছে বর্ষার অঝোর ধারায়। ‘বৃষ্টি সর্বত্রই সুন্দর’, ‘বৃষ্টির শহর’, ‘বর্ষাপ্রেম’ কিংবা ‘বৃষ্টিকন্যা’-এর মতো কবিতা দিয়ে কবি সামাজিক ক্লেদকে ধুয়ে-মুছে দিতে চান প্রকৃতির স্নিগ্ধ জলে। বৃষ্টি এখানে স্মৃতি, অপেক্ষা, কখনো বা শুদ্ধতার প্রতীক।
কবির ভাষা সরল কিন্তু তীক্ষ্ণ, চিত্রকল্পময় কিন্তু অকৃত্রিম। তিনি ‘মাটিতে’ মিশে যাওয়ার অনিবার্যতা তুলে ধরেন সহজ দর্শনে।
‘হ্যালিটোসিস’ শুধু একটি কাব্যগ্রন্থ নয়, সময়ের দলিল এবং প্রকৃতির কাছে আশ্রয় খোঁজার আকুতি। আশা করি, এই গ্রন্থের কবিতাগুলো পাঠকের চেতনায় দোলা দেবে এবং এক নতুন উপলব্ধির জন্ম দেবে।
সাকিল মাসুদ
প্রকাশক
Description
‘হ্যালিটোসিস’ প্রথম দর্শনে পাঠকমন হোঁচট খেতে পারে। যার আক্ষরিক অর্থ মুখের দুর্গন্ধ। কেন এমন নাম? প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে প্রবেশ করতে হবে আহসান ইমামের কবিতার কল্পচিত্রের গভীরে। অত্যন্ত প্রতীকী এক ব্যঞ্জনা ‘হ্যালিটোসিস’। সময়, সমাজ ও সভ্যতার এক অদৃশ্য ক্লেদের এক রূপক দুর্গন্ধের কথা বলে। যার উৎস ভণ্ডামি, হিংসা, রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা আর মানবিক অবক্ষয়।
বইটি ক্লেদাক্ত সময়ের নাভিশ্বাস। এখানে কবি একাধারে দ্রোহী ও সংবেদনশীল। বইয়ের ‘ফিলিস্তিনি পদাবলি’, ‘ধিক্কার নিয়াহু’ বা ‘জ্বলছে’-এর মতো কবিতাগুলো বিশ্বজুড়ে চলতে থাকা অন্যায়, নিপীড়ন আর মানবতাবিরোধী নৃশংসতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। কবির শব্দরাজি এখানে কর্কশ, কারণ তিনি সত্যকে কোনো আবরণে ঢাকতে রাজি নন। ‘হিংসার উৎসব’, ‘সাফল্যের চাবি’ বা ‘দলবদল’-এর মতো কবিতায় উন্মোচন করেন চারপাশের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভণ্ডামির মুখোশ, যা পাঠককে অস্বস্তিকর এক আয়নার সামনে দাঁড় করায়।
কাব্যগ্রন্থটি কেবলই দ্রোহ, দহন আর ক্ষতের নয়। এর আশ্চর্য বৈপরীত্য আর স্নিগ্ধতা লুকিয়ে আছে বর্ষার অঝোর ধারায়। ‘বৃষ্টি সর্বত্রই সুন্দর’, ‘বৃষ্টির শহর’, ‘বর্ষাপ্রেম’ কিংবা ‘বৃষ্টিকন্যা’-এর মতো কবিতা দিয়ে কবি সামাজিক ক্লেদকে ধুয়ে-মুছে দিতে চান প্রকৃতির স্নিগ্ধ জলে। বৃষ্টি এখানে স্মৃতি, অপেক্ষা, কখনো বা শুদ্ধতার প্রতীক।
কবির ভাষা সরল কিন্তু তীক্ষ্ণ, চিত্রকল্পময় কিন্তু অকৃত্রিম। তিনি ‘মাটিতে’ মিশে যাওয়ার অনিবার্যতা তুলে ধরেন সহজ দর্শনে।
‘হ্যালিটোসিস’ শুধু একটি কাব্যগ্রন্থ নয়, সময়ের দলিল এবং প্রকৃতির কাছে আশ্রয় খোঁজার আকুতি। আশা করি, এই গ্রন্থের কবিতাগুলো পাঠকের চেতনায় দোলা দেবে এবং এক নতুন উপলব্ধির জন্ম দেবে।
সাকিল মাসুদ
প্রকাশক
Reviews
There are no reviews yet.