লেখক পরিচিতি ও সাহিত্য জীবনবৃত্তান্ত
Rabin Zakariaবাসা নং-৩২, রোড নং-১/১, মাদরাসা রোড, মুনসীপাড়া, রংপুর।
মূলত লেখকের আসল নাম মো: কামরুজ্জামান তবে তিনি লেখালেখি করেন রবীন জাকারিয়া নামে। পিতা: মরহুম আবু মোহাম্মদ জাকারিয়া ছিলেন একাধারে মঞ্চ ও বেতার শিল্পী, চিত্রশিল্পী, ইন্টেরিয়র ডিজাইনার ও সরকারি চাকুরে। মাতা: মোছা: আনোয়ারা বেগম একজন গৃহিণী।
কারমাইকেল কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স ও রংপুর আইন কলেজের প্রাক্তন ছাত্র। খেলাধূলা, নাট্যচর্চা ও লেখালেখির পাশাপাশি দীর্ঘদিন যাবৎ উন্নয়নকর্মী হিসেবে কাজ করছেন।
লেখকের স্ত্রী মোছা. রেবেকা সুলতানা ওরফে সুমি জামান একজন গৃহিণী। এক পুত্র ও এক কন্যা রয়েছে এই দম্পতির। পুত্র আয়াত জাকারিয়া ও কন্যা বাইয়াতুন ইবাদাহ্ স্কুলে পড়াশোনার পাশাপাশি লেখালেখি, আবৃত্তি ও বিভিন্ন ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত।
তাঁর লেখা ইতিমধ্যে দেশে ও ভারতের বিভিন্ন প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত হয়েছে। "প্রতিভায় ভরা পরম্পরা" তাঁর প্রথম গ্রন্থ।
আইডিয়াপত্র ও প্রবন্ধসমূহ
২টি প্রবন্ধনবীর প্রতি ভালবাসা
মরুর বুকে জাগলো আলো, সত্যের ডাকে প্রভাত হলো, নবীর নামে জেগে উঠে, দুনিয়া পেল পথের দিশা। মিথ্যার আঁধার মুছে দিলেন, দয়ায় ভরা হৃদয় দিলেন, মোহাম্মদ (সা:) সবার প্রিয়, শান্তির বাণী এনেছিলেন।
অন্ধকার ঘরের দরজা
দরজাটা ঠেলে খুলতেই সে দেখল, ঘরের মাঝখানে একটা পুরোনো টেবিল। টেবিলের ওপর একটা ডায়েরি। ডায়েরির প্রথম পাতায় লেখা— “যদি কেউ এটা পড়ে, তবে জেনে রাখো… আমি এখনও এখানে আছি।” সাগরের গলা শুকিয়ে গেল। পাতা উল্টাতেই সাগর দেখতে পেল আরশাদের হাতের লেখা— “ওরা মানুষ না… রাত নামলে দেয়ালের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে…” ঠিক তখনই তার ক্যামেরার স্ক্রিন ঝাপসা হয়ে গেল। পেছন থেকে কারও ফিসফিস— “তুমি চলে যাওনি কেন?” সাগর ঘুরে দাঁড়াল। কেউ নেই। কিন্তু দরজাটা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গেল। হঠাৎ দেয়ালের ভেতর থেকে যেন অসংখ্য হাত বেরিয়ে আসতে লাগল। কালো, রক্তমাখা হাত! সাগর চিৎকার করে দরজার দিকে দৌড় দিল। দরজা খুলছে না। ক্যামেরা মাটিতে পড়ে গেল। লাইভ ভিডিওতে শুধু দেখা যাচ্ছিল সাগরের আতঙ্কিত মুখ আর অন্ধকারে নড়াচড়া করা ছায়া। তারপর হঠাৎ সব নিস্তব্ধ। পরদিন সকালে পুলিশ বাড়িটায় গিয়ে শুধু একটা ক্যামেরা খুঁজে পেল। ভিডিওর শেষ ফ্রেমে দেখা গেল দেয়ালের ওপর রক্ত দিয়ে লেখা— “এখন সাগরও আমাদের সঙ্গে আছে…”


