লেখক পরিচিতি ও সাহিত্য জীবনবৃত্তান্ত
অনামিকা রায়আমি অনামিকা রায়, সদ্য একটি নার্সিং কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করেছি ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারী কোর্স থেকে নিবন্ধিত।
আইডিয়াপত্র ও প্রবন্ধসমূহ
২টি প্রবন্ধনবীর প্রতি ভালবাসা
মরুর বুকে জাগলো আলো, সত্যের ডাকে প্রভাত হলো, নবীর নামে জেগে উঠে, দুনিয়া পেল পথের দিশা। মিথ্যার আঁধার মুছে দিলেন, দয়ায় ভরা হৃদয় দিলেন, মোহাম্মদ (সা:) সবার প্রিয়, শান্তির বাণী এনেছিলেন।
অন্ধকার ঘরের দরজা
দরজাটা ঠেলে খুলতেই সে দেখল, ঘরের মাঝখানে একটা পুরোনো টেবিল। টেবিলের ওপর একটা ডায়েরি। ডায়েরির প্রথম পাতায় লেখা— “যদি কেউ এটা পড়ে, তবে জেনে রাখো… আমি এখনও এখানে আছি।” সাগরের গলা শুকিয়ে গেল। পাতা উল্টাতেই সাগর দেখতে পেল আরশাদের হাতের লেখা— “ওরা মানুষ না… রাত নামলে দেয়ালের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে…” ঠিক তখনই তার ক্যামেরার স্ক্রিন ঝাপসা হয়ে গেল। পেছন থেকে কারও ফিসফিস— “তুমি চলে যাওনি কেন?” সাগর ঘুরে দাঁড়াল। কেউ নেই। কিন্তু দরজাটা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গেল। হঠাৎ দেয়ালের ভেতর থেকে যেন অসংখ্য হাত বেরিয়ে আসতে লাগল। কালো, রক্তমাখা হাত! সাগর চিৎকার করে দরজার দিকে দৌড় দিল। দরজা খুলছে না। ক্যামেরা মাটিতে পড়ে গেল। লাইভ ভিডিওতে শুধু দেখা যাচ্ছিল সাগরের আতঙ্কিত মুখ আর অন্ধকারে নড়াচড়া করা ছায়া। তারপর হঠাৎ সব নিস্তব্ধ। পরদিন সকালে পুলিশ বাড়িটায় গিয়ে শুধু একটা ক্যামেরা খুঁজে পেল। ভিডিওর শেষ ফ্রেমে দেখা গেল দেয়ালের ওপর রক্ত দিয়ে লেখা— “এখন সাগরও আমাদের সঙ্গে আছে…”


