আইডিয়া প্রকাশন
আইডিয়া প্রকাশনবই • ইবুক • সম্মানি — মুক্তচিন্তার অসীম সীমানা
Welcome, Guest!
Idea Prokashon

বই কেনা, অর্ডার ট্র্যাকিং ও প্রকাশনা সেবায় যুক্ত হতে একাউন্টে প্রবেশ অথবা নতুন রেজিস্ট্রেশন করুন।

শিশু-কিশোর সাহিত্য১৫অনুবাদ১৫উপন্যাস১২গল্প৮আঞ্চলিক ভাষা ও লোকসাহিত্য৭সাহিত্যপত্রিকা/ সাময়িকী৪কবিতা৪জীবনী / সাহিত্যিক জীবনী৪ভৌগলিক ইতিহাস ও ঐতিহ্য৩কৌতুক৩প্রবন্ধ-নিবন্ধ২আঞ্চলিক ইতিহাস২ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস২শিশু-কিশোর গল্প২শিশু-কিশোর: রহস্য, গোয়েন্দা, ভৌতিক, থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার২চিরায়ত উপন্যাস২শিশু সাহিত্য২মুক্তিযুদ্ধ২ব্যবসায় শিক্ষা (Business Education)১ব্যাংকিং অর্থনীতি১ডায়েরি ও চিঠিপত্র সংকলন১বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ১উঠতি বয়সীদের গণিত, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি১মায়া সভ্যতা১বিশ্বসাহিত্য / জার্মান সাহিত্য১কিশোর ক্লাসিকস১কাব্যনাট্য১গল্পসমগ্র১সায়েন্স ফিকশন১রহস্য উপন্যাস১উপন্যাস অনুবাদ১দর্শন১প্রবন্ধ১শ্রেষ্ঠ কবিতা১বিজ্ঞান১ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণ১শিশুদের বাংলা বর্ণমালা ও ভাষা শিক্ষা১প্রকৃতি ও পরিবেশআইন ও বিচারবাংলা ভাষা ও ব্যাকরণমুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক ইতিহাসবিবিধ৪
Support9 AM - 11 PM
Languageবাংলা
Theme
প্রবন্ধ-নিবন্ধ
আইডিয়া সাহিত্যপত্র•৯ মিনিট পাঠ•১,৩১৩ শব্দ

বৌদ্ধ যেভাবে ইউরোপে পাচার হলেন

পাশ্চাত্য দার্শনিকরা বৌদ্ধ দর্শনকে নিয়ে গেলন যেভাবে
বৌদ্ধ যেভাবে ইউরোপে পাচার হলেন
কভার চিত্র: বৌদ্ধ যেভাবে ইউরোপে পাচার হলেনআইডিয়া সাহিত্য সাময়িকী
গৌতম বৌদ্ধ যেভাবে ইউরোপে পাচার হলেন! দর্শনহীন কোন সভ্যতা হয়নি। বিকশিত হয়নি মানুষ ও তার সমাজ। প্রত্যেক সমাজের উৎপাদন পদ্ধতির ভেতরই তার দর্শনের স্কুল স্ফূরণ হয়েছে। কোনটা হয়তো লিখিত আবার কোনটা হয়তো...
গৌতম বৌদ্ধ যেভাবে ইউরোপে পাচার হলেন! 

দর্শনহীন কোন সভ্যতা হয়নি। বিকশিত হয়নি মানুষ ও তার সমাজ। প্রত্যেক সমাজের উৎপাদন পদ্ধতির ভেতরই তার দর্শনের স্কুল স্ফূরণ হয়েছে। কোনটা হয়তো লিখিত আবার কোনটা হয়তো অলিখিত। প্রাচীন ভারতীয় দর্শনের স্কুলগুলো ছিল অলিখিত। সমাজকাঠামো ও সংস্কৃতিকে ঝাপটে ধরে চর্চা ও চর্চিত হয়েছে শতাব্দী থেকে শতাব্দী ধরে। ছড়িয়ে পড়েছে সিন্ধু-গঙ্গারিডাই থেকে হিমালয়ের কন্যা কুমারিকার বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে। শেষ হয়েছে বঙ্গোপসাগরের নিকটে। বিবর্তিত হয়েছে। আবার কখনো হয়েছে মিশ্রিত। বঙ্গীয় বদ্বীপের পাদদেশে আমাদের বেশিরভাগ দর্শনের স্কুলগুলো ছিল গুরুবাদী পন্থায় লালিত। যা আজও লোকজ সমাজে প্রচলিত আছে। তার মধ্যে বৌদ্ধ দর্শন সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী দর্শন। যার রূপ, প্রভাব অন্যান্য দর্শনের স্কুলগুলোতেও পাওয়া যায়। পাশ্চাত্য সভ্যতায় রেনেসাঁস ও শিল্প বিপ্লবের ফলে লিখিত উপকরণ ও যোগাযোগ মাধ্যমের অগ্রগতির দরুণ তা লিখিত হয়েছে সবার আগে৷ আমদানিকৃত অনেক দর্শন তারা নিজেদের সমাজ-সংস্কৃতির অংশও করে নিয়েছে।



আপনি পাশ্চাত্য দার্শনিক শোপেনহাওয়ার এর 'দুঃখবাদ আর ইচ্ছাতত্ত্ব' দর্শনের কথাই যদি বলুন; তা কিন্তু সর্বাঙ্গে শোপেনহাওয়ারের নয়। যদিও তা আমরা ইউরোপীয় দর্শন হিসেবেই পড়ি; আসলে তা কিন্তু ভারতীয় বৌদ্ধ দর্শনেরই ইউরোপীয় ভার্সন। হ্যাঁ বলছিলাম শোপেনহাওয়ার এর কথা। পাশ্চাত্য দার্শনিকদের মধ্যে আর্থার শোপেনহাওয়ার (১৭৮৮-১৮৬০) নানা দিক থেকে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ও স্বতন্ত্র। উনিশ শতকের পাশ্চাত্য দর্শনে তিনি এমন একজন চিন্তাবিদ, যিনি মানুষের অস্তিত্ব, আকাঙ্ক্ষা, দুঃখ ও মুক্তির প্রশ্নকে গভীর নৈরাশ্যবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর দর্শনের কেন্দ্রে রয়েছে ‘ইচ্ছা’। তাঁর মতে, দৃশ্যমান জগতের অন্তরালে একটি অন্ধ, যুক্তিহীন ও নিরন্তর সক্রিয় ইচ্ছাশক্তি কাজ করছে। মানুষের সীমাহীন আকাঙ্ক্ষা ও অতৃপ্তিই যার দুঃখের মূল কারণ। এই কারণে শোপেনহাওয়ার মূলত দুঃখবাদী দার্শনিক হিসেবেই আমাদের নিকট পরিচিত। বণিক ও ধনী পিতা হাইনরিখ ফ্লোরিস শোপেনহাওয়ার  ছিলেন স্বাধীনচেতা ব্যক্তি। মা জোহানা শোপেনহাওয়ার ছিলেন সাহিত্যিক। শৈশব থেকেই শোপেনহাওয়ার ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ও সমাজের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান। গোটিনজেন ও বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সময় দার্শনিক কান্টের দর্শন তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। একই সঙ্গে তিনি পরিচিতি হোন প্লেটো, এরিস্টটল ও হেগেলের সাথে। কোনো কিছুই তাকে তৃপ্ত করতে পারেনি। এক সময় তিনি হয়ে পড়েন নৈরাশ্যবাদী। কেউ কেউ বলেন নৈরাজ্যবাদী। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের শেষার্ধে তিনি পরিচিতি হোন ভারতীয় দর্শনের উপনিষদ ও গৌতম বৌদ্ধের দর্শনের সাথে। বলা চলে এ পরিচিতিই শোপেনহাওয়ারকে ইউরোপে দার্শনিক রূপে গড়ে তুলতে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দিয়েছে৷ জুগিয়েছে মানব মুক্তির তত্ত্ব ও অন্বেষণ। 


১৮১৮ সালে প্রকাশিত তার 'ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড রিপ্রেজেন্টেশন (The World as Will and Representation)' গ্রন্থে তিনি তাঁর দর্শনের মূল কাঠামো সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করেন। শোপেনহাওয়ার বয়স তখন ৩০ আর ঐদিকে বৌদ্ধ মৃত্যুবরণের বয়স হয়েছিল ২৩০০ বছর। যায় হোক শোপেনহাওয়ার দেখালেন তার গ্রন্থে যে, 'জগতকে আমরা যেভাবে দেখি, অনুভব করি, ভাবি ও উপলব্ধি করি, তা আমাদের কাছে জগতের প্রকাশিত রূপ। কিন্তু এই দৃশ্যমান জগতের অন্তর্নিহিত বাস্তবতা হলো ‘ইচ্ছা’। এই ইচ্ছা কোনো ব্যক্তির সচেতন ইচ্ছা নয়; এটি অন্ধ, যুক্তিহীন, নিরন্তর সক্রিয় এবং অতৃপ্ত এক মৌলিক শক্তি। যা মানুষ কল্পনা করে কিন্তু দেখে না৷ মানুষের ক্ষুধা, যৌন আকাঙ্ক্ষা, আত্মরক্ষা, সম্পদ অর্জন, ক্ষমতা, মর্যাদা ও ভোগের আকাঙ্ক্ষা এসবই এই মৌলিক ইচ্ছার বিভিন্ন প্রকাশ। শুধু মানুষের মধ্যেই নয়, প্রাণীকূলের খাদ্য অনুসন্ধান, প্রজনন ও আত্মরক্ষার প্রবণতা এবং উদ্ভিদের বেড়ে ওঠার মধ্যেও এই ইচ্ছার প্রকাশ ঘটে। 
শোপেনহাওয়ারের মতে, মানুষের বুদ্ধি ও যুক্তি সব সময় তার আচরণের মূল নিয়ামক নয়। মানুষের গভীরে থাকা অদৃশ্য আকাঙ্ক্ষা ও তাড়নাই তাকে পরিচালিত করে। অনেক সময় মানুষ আগে কিছু চায়, পরে সেই চাওয়াকে যুক্তি দিয়ে সমর্থন করে। অর্থাৎ যুক্তি অনেক ক্ষেত্রে ইচ্ছার অধীন। এই ইচ্ছার কোনো চূড়ান্ত তৃপ্তি নেই। একটি ইচ্ছা পূরণ হলে আরেকটি ইচ্ছা জন্ম নেয়। ফলে মানুষের জীবন হয়ে ওঠে আকাঙ্ক্ষাময়, সংগ্রাম, অর্জন, সাময়িক তৃপ্তি এবং পুনরায় আকাঙ্ক্ষার এক অন্তহীন চক্র। যার মূলে আছে ইচ্ছার অধীনস্থ দুঃখ। যা প্রাণীমাত্রই চলছে, চলবে। চলমান।' এসব কথা দার্শনিক শোপেনহাওয়ার যখন ইউরোপীয় সমাজে বলছিলেন তখন একথা আমাদের সমাজে কয়েক হাজার বছর আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল কিন্তু তাদের মতো করে প্রচারিত হয়নি। কেন হয়নি, তা শুরুতেই বলেছিলাম আমাদের দর্শনের স্কুলগুলো গুরুভাবী খানকায় চর্চিত। বাইরে বের করার নিয়ম, অনুসরণ নেই। 

বৌদ্ধও একথা বলেছিলেন- ইচ্ছা। হ্যাঁ ইচ্ছার অপূর্ব আকাঙ্ক্ষায় জন্মায় দুঃখ। তাঁর চার আর্যসত্যের প্রথম সত্য হলো-জীবন দুঃখময়। শোপেনহাওয়ার লিখেছেন জীবন দুঃখময়।  জন্ম, বার্ধক্য, রোগ, মৃত্যু, অপছন্দনীয় বিষয়ের সংস্পর্শ, প্রিয় বিষয় থেকে বিচ্ছেদ এবং আকাঙ্ক্ষিত বিষয় লাভ করতে না পারা এসবই দুঃখের বিভিন্ন রূপ। মানুষ ভোগ করতে চায়, পেতে চায়, ধরে রাখতে চায় এবং নিজের ইচ্ছামতো জগতকে স্থায়ী করতে চায়। কিন্তু জগত অনিত্য। কোনো বস্তু, সম্পর্ক, যৌবন, সম্পদ বা জীবন স্থায়ী নয়। ফলে মানুষের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে বাস্তবতার সংঘাত সৃষ্টি হয় এবং সেখান থেকেই দুঃখের জন্ম হয়। কাজেই দুঃখময় জীবনে এই মুক্তির অবস্থাকে বৌদ্ধ বলেছেন  নির্বাণ। বুদ্ধের মতে, তৃষ্ণা দুঃখের কারণ।
শোপেনহাওয়ারের মতে, ইচ্ছা দুঃখের মূল উৎস। আবার আমাদের বুদ্ধের কাছে তৃষ্ণা হলো এমন এক আকাঙ্ক্ষা, যা মানুষকে বারবার ভোগ, অস্তিত্ব ও আসক্তির দিকে নিয়ে যায়। শোপেনহাওয়ারের কাছে ইচ্ছা হলো বিশ্বজগতের অন্তর্নিহিত অন্ধ শক্তি, যা মানুষকে নিরন্তর কিছু পেতে ও অর্জন করতে তাড়িত করে। মানুষ কোনো কিছু না পেলে দুঃখ পায়। আবার কোনো কিছু পেয়ে গেলে সেই আনন্দ স্থায়ী হয় না। কিছুদিন পর নতুন আকাঙ্ক্ষা জন্ম নেয়। ফলে মানুষ কখনো অভাবের কারণে দুঃখী, কখনো অর্জনের পর একঘেয়েমিতে আক্রান্ত। শোপেনহাওয়ার তাই মানুষের জীবনকে দুঃখ ও একঘেয়েমির মধ্যকার দোলাচল হিসেবে দেখেছেন। আসলে একথা বলায় যায় যে,  শোপেনহাওয়ার বৌদ্ধ দর্শনকে ইউরোপীয় ভার্সনে রূপান্তরিত করেছেন। বুদ্ধের ‘তৃষ্ণা’ মূলত নৈতিক ও অস্তিত্বগত বন্ধনের একটি কারণ; যেখানে শোপেনহাওয়ারের ‘ইচ্ছা’ তাঁর সমগ্র অধিবিদ্যার ভিত্তি এবং বিশ্ববাস্তবতার অন্তর্নিহিত শক্তি।শোপেনহাওয়ারও মনে করেন, ইচ্ছার পূর্ণ তৃপ্তির মাধ্যমে মুক্তি সম্ভব নয়। কারণ একটি ইচ্ছা পূরণ হলে নতুন ইচ্ছা জন্ম নেয়। তাই মুক্তির জন্য ইচ্ছার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং শেষ পর্যন্ত ইচ্ছার অস্বীকৃতির দিকে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন। তাই এখানে বুদ্ধ ও শোপেনহাওয়ারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সাদৃশ্য থাকলেও পার্থক্যও রয়েছে সমাজ বাস্তবতায় বক্তব্য নির্মাণে। বুদ্ধ চরম ভোগ এবং চরম কৃচ্ছ্রসাধন উভয়কেই পরিহার করে মধ্যমপন্থার কথা বলেছেন। অন্যদিকে শোপেনহাওয়ারের নিকট মুক্তির ধারণায় ত্যাগ, সংযম ও ইচ্ছার অস্বীকৃতির গুরুত্ব বেশি। প্রকারন্তরে শোপেনহাওয়ারই যেন বৌদ্ধকে আত্মস্থ করেছেন। করেছেন পাচার।


বৌদ্ধের মতো শোপেনহাওয়ারও অসীমতার মধ্যে খুঁজেছেন ঈশ্বরকে। আমাদের আবহমান বাংলার চর্যাপদ, বৈষ্ণব পদাবলি ও লালন-ভাবনাতেও জাগতিক জীবনের অতৃপ্তি, বিচ্ছেদ ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষার প্রতিধ্বনি পাওয়া যায়। লালন লিখেছিলেন-
‘আমি অপার হয়ে বসে আছি, ওহে দয়াময়, পাড়ে লয়ে যাও আমায়।’ কিংবা লোকগানে আছে -'"তুমি আমার মনের মানুষ অন্তরের ভেতর।" ও মুর্শিদ ও, এই যে দুনিয়া কিসেরও লাগিয়া।"- এখানে জাগতিক জীবনের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করেছে দুঃখময় জীবনে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশে। এ যেন বৌদ্ধকে আত্মস্থ করেছে নানা শব্দে, ভঙ্গিতে, আঙ্কিকে। পাশ্চাত্যে শোপেনহাওয়ার এই বৌদ্ধকে করেছেন ইউরোপে পাচার। ইউরোপীয় ভার্সনে।


মনির হোসেন 
প্রভাষক
বাংলা বিভাগ 
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।
❦
পড়ুন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

লেখকের জন্য পাঠক সম্মানি

লেখাটি পড়ে ভালো লাগলে আপনার সামান্য অনুপ্রেরণা ও সম্মানি লেখকের সৃষ্টিশীল পথচলাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

বিকাশ নম্বর: 01833775779• সম্মানির ৭০% লেখক পাবেন, ৩০% সাইট মেইনটেনেন্স
পাঠক মন্তব্য ও পর্যালোচনা০টি
আপনার মূল্যবান মতামত বা রিভিউ দিন
অতিথি হিসেবে মন্তব্য
৫ স্টার (চমৎকার)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম পাঠক মন্তব্যটি লিখুন!
আপনিও কি আইডিয়াপত্রে লিখতে চান?

আপনার জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ, কবিতা, বইয়ের পর্যালোচনা ও সাহিত্যকর্ম প্রকাশ করতে আমাদের লেখক পোর্টালে যুক্ত হোন।

মনির হোসেন ( Monir Hossain)
মহ
মনির হোসেন ( Monir Hossain)

আইডিয়া সাহিত্যপত্র লেখক ও গবেষক

আমার শপিং কার্ট
০ টি পণ্য
আপনার কার্ট খালি আছে

পছন্দের বই বা গ্যাজেট খুঁজে নিয়ে কার্টে যুক্ত করুন।

পণ্যের মোট মূল্য (Subtotal):৳০
ডেলিভারি চার্জ:৳80
সর্বমোট বিল:৳০
বিস্তারিত কার্ট পেজ দেখুন →
আগেই বিকাশ / নগদে পেমেন্ট করতে চান?
নির্বাচিত অংশ শুনুন
অডিওবুক পাঠ০%
বাক্য ১ / ১