আইডিয়া প্রকাশন
আইডিয়া প্রকাশনবই • ইবুক • সম্মানি — মুক্তচিন্তার অসীম সীমানা
Welcome, Guest!
Idea Prokashon

বই কেনা, অর্ডার ট্র্যাকিং ও প্রকাশনা সেবায় যুক্ত হতে একাউন্টে প্রবেশ অথবা নতুন রেজিস্ট্রেশন করুন।

শিশু-কিশোর সাহিত্য১৫অনুবাদ১৫উপন্যাস১২গল্প৮আঞ্চলিক ভাষা ও লোকসাহিত্য৭সাহিত্যপত্রিকা/ সাময়িকী৪কবিতা৪জীবনী / সাহিত্যিক জীবনী৪ভৌগলিক ইতিহাস ও ঐতিহ্য৩কৌতুক৩প্রবন্ধ-নিবন্ধ২আঞ্চলিক ইতিহাস২ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস২শিশু-কিশোর গল্প২শিশু-কিশোর: রহস্য, গোয়েন্দা, ভৌতিক, থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার২চিরায়ত উপন্যাস২শিশু সাহিত্য২মুক্তিযুদ্ধ২ব্যবসায় শিক্ষা (Business Education)১ব্যাংকিং অর্থনীতি১ডায়েরি ও চিঠিপত্র সংকলন১বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ১উঠতি বয়সীদের গণিত, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি১মায়া সভ্যতা১বিশ্বসাহিত্য / জার্মান সাহিত্য১কিশোর ক্লাসিকস১কাব্যনাট্য১গল্পসমগ্র১সায়েন্স ফিকশন১রহস্য উপন্যাস১উপন্যাস অনুবাদ১দর্শন১প্রবন্ধ১শ্রেষ্ঠ কবিতা১বিজ্ঞান১ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণ১শিশুদের বাংলা বর্ণমালা ও ভাষা শিক্ষা১প্রকৃতি ও পরিবেশআইন ও বিচারবাংলা ভাষা ও ব্যাকরণমুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক ইতিহাসবিবিধ৪
Support9 AM - 11 PM
Languageবাংলা
Theme
গল্প
আইডিয়া সাহিত্যপত্র•১১ মিনিট পাঠ•১,৬৫৬ শব্দ

জন্মবার্ষিকী থেকে মৃত্যুবার্ষিকীর সফর

জন্মবার্ষিকী থেকে মৃত্যুবার্ষিকীর সফর
কভার চিত্র: জন্মবার্ষিকী থেকে মৃত্যুবার্ষিকীর সফরআইডিয়া সাহিত্য সাময়িকী
শুধু কি অনাত্মীয়জনেরাই কাউকে খুন করতে পারে? নিজের মানুষেরা কি কখনো খুন করে না?

আজ রিমঝিমের জন্মদিন। পুরো বাড়ি সেজে উঠেছে সকলে এসেছে, রিমঝিমের বন্ধুবান্ধব আত্মীয়-স্বজন বাবা মা সবাই মিলে খুব আনন্দের সাথে জন্মদিনের উৎসব পালন করছে। এই আনন্দের মাঝে হঠাৎ করে এক চিলতে মেঘ এসে পড়ে। ঠিক যখনই রিমঝিম কেক কাটতে যাবে তখনই লাইট চলে যায়। লাইট চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরে যখন লাইট আসে তখন রিমঝিম আর নিজের জায়গায় ছিল না। তার পাশে তার বান্ধবী প্রিয়া দাঁড়িয়ে ছিল,  সে হঠাৎ করে চিৎকার করে ওঠে। কারণ সে দেখে রিমঝিম এর রক্তাক্ত শরীর মেঝেতে পড়ে আছে।

রিমঝিমের জন্ম বার্ষিকী যেন মৃত্যু বার্ষিকীতে পরিণত হয়।

মা বাবার একমাত্র মেয়ে রিমঝিম কলেজের সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে। ভারী সুন্দরী। পড়াশোনায় কাজকর্মে সব দিক দিয়েই এক পায়ে এগিয়ে। বন্ধু বান্ধব বলতে বেশি ছিল না কলেজে তার প্রায় পাঁচজন থেকে ছয় জন বন্ধু ছিল। তার মধ্যে তার প্রিয় বন্ধু ছিল প্রিয়া। আর বাকি দুজন যারা ওকে খুব একটা সহ্য করতে পারতো না ওর বন্ধু হলেও তারা হচ্ছে রিয়া আর টিয়া। ওরা ক্লাস থ্রি থেকেই একে অপরের বন্ধু খুব কাছের বন্ধু। রিমঝিম প্রিয়া, টিয়া এবং রিয়া একসঙ্গেই বেড়ে উঠেছে কলেজের একসঙ্গে পা রেখেছে ওদের যেদিন কলেজের প্রথম দিন সেদিন একটা ঘটনা ঘটে। টিয়া বরাবর ওই রিমঝিমকে সহ্য করতে পারত না। কারণ আগেই বললাম যে রিমঝিম সব দিক দিয়ে এক পায়ে এগিয়ে।

কলেজে যেদিন তারা প্রথম যায় সেদিন ওই কলেজের সবচেয়ে সুন্দর ছেলে তাদের সিনিয়র রিমঝিম কে দেখে ভীম শিম খেয়ে যায়। অর্থাৎ রিমঝিম কে প্রথম দেখাতেই তার পছন্দ হয়ে যায়। ছেলেটার নাম ছিল আতিক। এদিকে টিয়া যখন আতিককে দেখে তখন টিয়ার মনে অন্য রকম এক স্বপ্ন জাগে এক আনন্দ হয় কারণ সেও আতিককে পছন্দ করে ফেলে। টিয়া বেশ কিছুদিন আতিকের পিছন পিছন ঘোরা শুরু করে আতিকের অ্যাটেনশন পাওয়ার জন্য অনেক কর্মকান্ড করে যেমন আতিক বই পড়তে পছন্দ করতো টিয়া গিয়ে লাইব্রেরীতে বসে থাকতো আতিকের ক্লাসের সামনে গিয়েও মাঝে মাঝে দাঁড়িয়ে থাকতো। কিন্তু আতিক কখনোই টিয়ার থেকে ঘুরে পর্যন্ত দেখেনই সে সব সময় রিমঝিমের কথা ভাবতো ,রিমঝিমকে দেখার জন্য রিমঝিম দেখ ক্লাসের বাইরে যেত রিমঝিম যে লাইব্রেরিতে বই পড়ত সেও কলেজে লাইব্রেরিতে গিয়ে বসে থাকতো এই দৃশ্য দেখে টিয়া ভাবত যেন আতিক তার মনের কথা বুঝতে পেরেছে এজন্য আতিক তাকে সিগনাল দিচ্ছে।

তো কিছুদিন পর মনে অনেক সাহস যুগিয়ে টিয়া ঠিক করল সে আতিককে নিজের মনের কথা জানাবে যে তাকে সে পছন্দ করে।
অনেক সাজসজ্জা করেই ঐদিন কলেজে গিয়েছিল টিয়া আতিকের সামনে গিয়ে তারপর আতিককে নিজের মনের কথা বলে যে সে আতিককে পছন্দ করে এবং আতিক যে তাকে পছন্দ করে এও টিয়া বুঝতে পেরেছে যেমন সে লাইব্রেরীতে আসে টিয়ার সাথে সাথে। এমন কথা শুনে আতিক ভীম শীম খায় কারণ সে তো প্রিয়ার বন্ধু রিমঝিমকে পছন্দ করে এবং সে এসব জায়গায় যায় । তখন আতিক টিয়াকে বলে যে সে তার বন্ধু রিমঝিমকে পছন্দ করে। এই কথা শুনে টিয়ার মন একেবারেই ভেঙে যায় একেই সে রিমঝিমকে দেখতে পারত না তার উপর আবার তার পছন্দের মানুষটাও তার শত্রুকে পছন্দ করে। এর চেয়ে দুঃখের আর কি হতে পারে? ঐদিন থেকেই টিয়ার মনে রিমঝিম এর প্রতি আরো বেশি বিদ্বেষ জেগে ওঠে। তাহলে খুনটা কি টিয়াই করলো?

কিন্তু রিমঝিমের চেয়ে টিয়াই একমাত্র শত্রু নয়! রিমঝিমের প্রিয় বান্ধবী প্রিয় যে তাকে সহ্য করতে পারে না। এর কারণ হচ্ছে প্রিয়া পড়াশোনায় একটু পিছিয়ে। আর রিমঝিম সব সময় ক্লাসের টপ করে এসেছে। প্রিয়ার মা-বাবা প্রায় ওই তাকে তুলনা করে রিমঝিম এর সাথে। প্রিয়া সামনে রিমঝিম এর সাথে খুব সুন্দর করে কথা বলে, রিমঝিম তাদের বাড়িতে গেলে নানান রকমের খাবার রান্না করে খাওয়ায় প্রিয়ার মা, রিমঝিম কে খুব আদর করেন তারা। এটাই সহ্য হয় না প্রিয়ার। কারণ এতটা আদর তারা প্রিয়াকে করেনা প্রিয়ার পছন্দের খাবার কখনো তারা রান্না করে না কারন প্রিয়া পড়াশোনায় ভালো নয় এজন্য সারাদিন তাকে আর একজনের সাথে তুলনা করে। তাহলে এই বিশ্বাস থেকে কি কোনটা প্রিয়া করল?

চলে যাওয়া যাক রিমঝিমের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে। প্রিয়ার চিৎকার শোনার পর সকলে পাড় জমালো রিমঝিম এর মৃত্ দেহের চারপাশে। রিমঝিম এর বাবা-মা পুরোই ভেঙে পড়েছেন কোথায় মেয়ের জন্মদিন পালন করার কথা ছিল এখন কি না শোক পালন করতে হচ্ছে। তবুও নিজেকে শক্ত করে রিমঝিমের বাবা তাদের থানার ওসি সমরেশ মজুমদারকে কল দেন। তৎক্ষণাৎ সমরেশ মজুমদার চলে আসেন নিজের পুলিশ ফোর্স নিয়ে। এসে তিনি জায়গাটা সিল মেরে দেন এবং বলেন যতক্ষণ না তদন্ত শেষ হয় ততক্ষণ পর্যন্ত এখানে নিমন্ত্রিত কেউ বের হতে পারবে না। বলা ভালো রিমঝিমের মৃত্যুটা হয়েছে মোমবাতি দিয়ে। আপনার হয়তোবা ভাবছেন কি করে একটা মোমবাতি দিয়ে মানুষকে খুন করা যায়। আসলে রিমঝিম যেই মোমবাতিটা ফু দিতে যাচ্ছিল সে টা সাধারন মোমবাতি ছিল না। খুবই অদ্ভুত দেখতে একটা মোমবাতি ছিল যেটা রিমঝিম কে সকালবেলা এক ডেলিভারি ম্যান এসে দিয়ে গেছে এবং বলেছিল যে এই মোমবাতিটা তার খুব প্রিয় মানুষ তাকে পাঠিয়েছে। রিমঝিম ভেবেছিল হয়তো তার কোন বন্ধু-বান্ধব তা আতিক পাঠাতে পারে কারণ আতিকের সাথে কিন্তু রিমঝিম  এর সম্পর্কটা ছিল।

কে জানত এই মোমবাতি দিয়ে তার মৃত্যু হবে। মোমবাতির ভেতরে ছুরি ছিল । এটা সমরেশ মজুমদার দেখতে পায়। তিনি দেখেন যে রিমঝিমের দেহের পাশে মোমবাতিটা পড়ে আছে। তিনি ভাবেন টেবিলে কেক থাকতে এত কিছু থাকতে শুধু মোমবাতি টাই কেন পড়লো ?তখন মোমবাতিটা হাতাহাতি করে দেখেন সেখানে নিচে একটা সুইচ ছিল ছোট, ওটা টিপতে একটা ছুরি বের হয়ে আসে।

সমরেশ বাবুর বুঝতে আর বাকি থাকে না। তখন তিনি রিমঝিম এর বাবা-মাকে জিজ্ঞেস করেন এই মোমবাতিটা কে দিয়েছে। রিমঝিম এর বাবা মা জানায় সকালবেলা একজন ডেলিভারি ম্যান এসে এই মোমবাতিটা রিমঝিমকে দিয়ে যায় রিমঝিম ভাবে অত তার কোন বন্ধু দিয়ে গেছে তাই সেটা রেখে দিয়েছে। তখন সমরেশ বাবু তার একজন ফোর্সকে এই মোমবাতিটা দিয়ে ফরেন্সিকে পাঠান ফিঙ্গার প্রিন্ট দেখার জন্য।

এবং একে একে সেখানে উপস্থিত সকলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেন এবং সেটাও ফরেন্সিকে পাঠিয়ে দেয়। যদি ওই মোমবাতিতে থাকা ফিঙ্গারপ্রিন্ট আর এখানে উপস্থিত কারো ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিলে যায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় খুনি এতটাই চালাক যে সে গ্লোবস পরে খুন করেছে ।এজন্য মোমবাতিতে কারো কোন ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেই শুধু রিমঝিমের ফিঙ্গারপ্রিন্ট টাই পাওয়া গেছে। এমনকি ডেলিভারি ম্যানেরও ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেই। কি আজব তাই না!

এরপর সমরেশ বাবু সেখান থেকে চলে যান এবং ভাবতে থাকেন সারারাত কি করেই বা ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে একটা মানুষকে খুন করা যায় এত লোকজনের ভিড়ে তাও কেউ টের পেল না। তখন সমরেশ বাবু রিমঝিম এর সকল অতিত বর্তমান সার্চ করা শুরু করে। এবং এখান থেকে তিনি জানতে পান আতিক রিমঝিমের বয়ফ্রেন্ড। আতিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকেন এবং তিনি আতিককে জিজ্ঞাসা করেন যে আতিক কাউকে সন্দেহ করে কিনা রিমঝিমের হত্যাকারী হিসেবে। আতিক জানায় সে টিয়া কে সন্দেহ করে। এবং ওইদিনের পুরো ঘটনাটা খুলে বলে। এসব কথা শুনে সমরেশ বাবু টিয়াকে থানায় ডাকেন। টিয়া অত্যন্ত ভয় পেয়ে যায়। তখন সমরেশবাবু টিয়া কে জিজ্ঞাসা করেন, কে রিমঝিম কে খুন করতে পারে? টিয়া প্রিয়ার নাম নেয় এবং সব কথা খুলে বলে। তখন সমরেশবাবু প্রিয়াকেও ডেকে পাঠান। প্রিয়া কেও একে প্রশ্ন করে। প্রিয়া এমন একজনের নাম নেয় যেটা ভাবার বাইরে । প্রিয়া বলে রিমঝিম কে তার বাবা খুন করেছে। এটা শুনে সমরেশ বাবু থেকে শুরু করে থানায় যতজন উপস্থিত ছিল সবাই যেন আকাশ থেকে পড়ে। তখন প্রিয়া বলে রিমঝিম এর সাথে তার বাবার সম্পর্কটা ঠিক ভালো ছিল না । এছাড়াও রিমঝিমের আসল বাবা ইনি নন। রিমঝিম এর সৎ বাবা হচ্ছেন যার সাথে এখন রিমঝিম থাকছিল মিস্টার অনিক চন্দ্র দাস। তার আসল বাবার সাথে রিমঝিমের মায়ের অনেকদিন আগেই ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এবং এই সৎ বাবার রিমঝিমের উপর কিছুটা গু নজর ছিল রিমঝিমকে তিনি নাকি একসময় প্রস্তাব পর্যন্ত দিয়েছিলেন কিন্তু রিমঝিম তাতে হ্যাঁ করেনি। এরপর থেকেই নাকি তাদের সম্পর্কটা খারাপ হয়ে যায়। এসব শুনে সমরেশবাবু রিমঝিমের সৎ বাবা এবং তার মাকে থানায় ডেকে পাঠান।

তখন সমরেশবাবু এসব কিছু তাদের দুজনের সামনে বলেন। তারা অস্বীকার করে এবং বলে এসব কিছু মিথ্যা । অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল তাই সমাজ বাবু সকলকে বাড়ি চলে যেতে বলেন এবং তারা চলে যাওয়ার পর তিনি তার ফোর্সদেরকে বলেন যেন সবার উপর নজরদারি করা হয় আজ রাত থেকেই। যেমন কথা তেমন কাজ নজরদারি চলতে থাকে রাত থেকেই সমরেশ বাবু নিজের বাড়ি ফিরে যান।

বাড়ি গিয়ে যখন ঘুমাতে যাবেন তখন দরজায় শব্দ পান। দরজাটা  খুলতেই যেন সব নিমিষেই অন্ধকার হয়ে যায়। সকালে সকালে জানতে পারে সমরেশ বাবু খুন হয়েছে।

কে করল সমরেশ বাবুকে খুন?

সমরেশ বাবু যখন বাড়ি ফিরে আসেন তখন তিনি প্রিয়া প্রিয়া আতিক এবং রিমঝিমের সৎ বাবার ফোনে মেসেজ পাঠান। তাতে লেখা ছিল, "আমি জানি তুমি খুন করেছো। চিন্তা করো না কালকেই তোমাকে থানায় নিয়ে চলে আসব আজকে রাতটা ভালো করে ঘুমিয়ে নাও।" এই মেসেজটা দেয়ার ঠিক আধা ঘন্টা পরে তিনি দরজাটা খুলেছিলেন।

মেসেজটা যখন প্রিয়া দেখে সে অনেক আতঙ্কিত হয়ে যায়। যখন টিয়া দেখে তার চোখে এক ধরনের ভয় দেখা যায়। আপনি যখন দেখে তখন সে মুচকি হাসে। আর যখন রিমঝিমের সৎ বাবা মেসেজটা দেখেন তখন তিনি ঘামতে শুরু করেন। আর মজার ব্যাপার এদের সকলের বাড়ি খুবই কাছাকাছি যেমন সমরেশবাবুর বাড়ি থেকে রিমঝিম দের বাড়িটা ঠিক ২০ মিনিট ধরে তার থেকে ঠিক ১৫ মিনিট বা ১০ মিনিট ধরে প্রিয়া প্রিয়া এবং আতিকের বাড়ি। বলতে গেলে এদের চারজনের বাড়ি খুব কাছাকাছি বেশি দূরে নয় সুতরাং মেসেজ পাওয়ার আধা ঘন্টার আগেও এরা কোন না কোন ভাবে সমরেশ বাবুর বাড়িতে পৌঁছে যেতে পারে। কিন্তু কে করলো সমরেশ বাবুকে খুন?
সমরেশ বাবু যখন দরজা খুলেছিলেন তখন খুনিকে দেখে তিনি বলেছিলেন, আমি জানতাম তুমি আসবে তোমারি অপেক্ষায় ছিলাম। আর সমরেশ বাবু নিজের পিস্তলটা যখন বের করতে যাবেন ঠিক তখনই সেখানেই তাকে হত্যা করা হয়। 
হত্যার পর তার চোখ দুটো খুনি তুলে নেয়। কারণ সে মরে গেলেও ওই চোখ দিয়ে সে খুনিকে তো দেখেছে।

❦
পড়ুন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

লেখকের জন্য পাঠক সম্মানি

লেখাটি পড়ে ভালো লাগলে আপনার সামান্য অনুপ্রেরণা ও সম্মানি লেখকের সৃষ্টিশীল পথচলাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

বিকাশ নম্বর: 01833775779• সম্মানির ৭০% লেখক পাবেন, ৩০% সাইট মেইনটেনেন্স
পাঠক মন্তব্য ও পর্যালোচনা০টি
আপনার মূল্যবান মতামত বা রিভিউ দিন
অতিথি হিসেবে মন্তব্য
৫ স্টার (চমৎকার)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম পাঠক মন্তব্যটি লিখুন!
আপনিও কি আইডিয়াপত্রে লিখতে চান?

আপনার জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ, কবিতা, বইয়ের পর্যালোচনা ও সাহিত্যকর্ম প্রকাশ করতে আমাদের লেখক পোর্টালে যুক্ত হোন।

ছন্দা রায় বর্ণা
ব
ছন্দা রায় বর্ণা

আইডিয়া সাহিত্যপত্র লেখক ও গবেষক

আমার শপিং কার্ট
০ টি পণ্য
আপনার কার্ট খালি আছে

পছন্দের বই বা গ্যাজেট খুঁজে নিয়ে কার্টে যুক্ত করুন।

পণ্যের মোট মূল্য (Subtotal):৳০
ডেলিভারি চার্জ:৳80
সর্বমোট বিল:৳০
বিস্তারিত কার্ট পেজ দেখুন →
আগেই বিকাশ / নগদে পেমেন্ট করতে চান?
নির্বাচিত অংশ শুনুন
অডিওবুক পাঠ০%
বাক্য ১ / ১