গল্প
৫৯ রক্তদাতা সেই মহৎ সুন্দরীর কাছে খোলা চিঠি
অতএব, আশা করি আর বিরক্ত করবে না। কারণ, আমি জানি, সুন্দরীদের জন্ম মাল্টিন্যাশন্যাল কোম্পানির স্বার্থে।
প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা, নতুন বইয়ের পর্যালোচনা, সমকালীন সাহিত্য আলোচনা ও গবেষণামূলক লেখার উন্মুক্ত ডিজিটাল সাময়িকী
আইডিয়াপত্রে আপনার মৌলিক লেখা, প্রবন্ধ ও সৃজনশীল সাহিত্যকর্ম প্রকাশ করতে লেখক হিসেবে যোগ দিন।
গল্প
৫৯ অতএব, আশা করি আর বিরক্ত করবে না। কারণ, আমি জানি, সুন্দরীদের জন্ম মাল্টিন্যাশন্যাল কোম্পানির স্বার্থে।
গল্প
৩১ শুধু কাকের ডাক মাসুদুল হক ১. মোতিঝিলের পোষা পানিতে সেদিন চাঁদের আলো পড়েছিল কাঁপতে কাঁপতে। চারদিকে উৎসবের উচ্ছ্বাস, মশালের আলো, আতরের গন্ধ আর দূর থেকে ভেসে আসা তবলার বোল। মুর্শিদাবাদের রাত যেন নি...
গল্প
৩৬ শুধু কি অনাত্মীয়জনেরাই কাউকে খুন করতে পারে? নিজের মানুষেরা কি কখনো খুন করে না?
গল্প
৩২ একটা মৃত্যু- যে মৃত্যু কারো জন্ম ঠেকাতে পারে না সেই মৃত্যু সব আনন্দ আয়োজন তছনছ করে দিলো।
গল্প
১০৫ অন্যরা যখন বৃন্দাবনে তখন আমি রাজপথে।পড়ি কারমাইকেল কলেজ, রংপুরে। নানান রকম এক্সপেরিমেন্ট চালাই। সময় সুযোগ পেলে কলেজ লাইব্রেরীতে যাই।
গল্প
৮০ ফালগুনীর প্রশ্নে নাজিম বলল, ‘মদে যদি সব পাওয়া যায় তাহলে আর কিছু দরকার বলো?’ নাজিম ফালগুনীকে বারে নিতে চাইল আজ শুক্রবার বলে। ফালগুনী জানাল, ‘যাওয়া যায়। তবে ভালো হয় কিছু কেনাকাটা করা। ভেবে দেখ, কেনাকাটা করাই ভালো।’
গল্প
৮৫ বাঙালি জাতি বাঙালি রমণী ছাড়া কেমন যেন খালি খালি লাগে । ঠিক যেমন তরকারিতে লবণ না থাকলে স্বাদ লাগে। বাঙালি রমণীরাই বাঙালি জাতিকে মিষ্টি করে তুলেছে নিজেদের মিষ্টি স্বভাব দিয়ে।
ইদানিং সে শ্রেণি সংগ্রামের বুলিও আওড়ায়। ছাব্বিশ বছর বয়সে জেলে যায় জঙ্গীবাদের অভিযোগে।
গল্প
১৭৩ দরজাটা ঠেলে খুলতেই সে দেখল, ঘরের মাঝখানে একটা পুরোনো টেবিল। টেবিলের ওপর একটা ডায়েরি। ডায়েরির প্রথম পাতায় লেখা— “যদি কেউ এটা পড়ে, তবে জেনে রাখো… আমি এখনও এখানে আছি।” সাগরের গলা শুকিয়ে গেল। পাতা উল্টাতেই সাগর দেখতে পেল আরশাদের হাতের লেখা— “ওরা মানুষ না… রাত নামলে দেয়ালের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে…” ঠিক তখনই তার ক্যামেরার স্ক্রিন ঝাপসা হয়ে গেল। পেছন থেকে কারও ফিসফিস— “তুমি চলে যাওনি কেন?” সাগর ঘুরে দাঁড়াল। কেউ নেই। কিন্তু দরজাটা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গেল। হঠাৎ দেয়ালের ভেতর থেকে যেন অসংখ্য হাত বেরিয়ে আসতে লাগল। কালো, রক্তমাখা হাত! সাগর চিৎকার করে দরজার দিকে দৌড় দিল। দরজা খুলছে না। ক্যামেরা মাটিতে পড়ে গেল। লাইভ ভিডিওতে শুধু দেখা যাচ্ছিল সাগরের আতঙ্কিত মুখ আর অন্ধকারে নড়াচড়া করা ছায়া। তারপর হঠাৎ সব নিস্তব্ধ। পরদিন সকালে পুলিশ বাড়িটায় গিয়ে শুধু একটা ক্যামেরা খুঁজে পেল। ভিডিওর শেষ ফ্রেমে দেখা গেল দেয়ালের ওপর রক্ত দিয়ে লেখা— “এখন সাগরও আমাদের সঙ্গে আছে…”