কেউ নাই এ নিশিযাপনে
ধূসর আকাশে চাঁদ যেন এক ক্লান্ত পথিক;
বাঁশবনের ভেতর দিয়ে বাতাস হেঁটে যায়
মনে হয়
এই পথ দিয়ে কেউ একদিন ফিরবে ভেবে।
দূরের মাঠে কুয়াশা নামে ধীরে;
একটা শিয়াল ডাকে,
তার ডাক ভেঙে যায়
নিস্তব্ধ পৃথিবীর বুকের ভেতর।
কেউ নাই এ প্রভাতে
শিশিরে ভেজা ঘাসে আলো পড়ে
তবু কোনো পদচিহ্ন জাগে না আর।
শালিকেরা ডাকে,
কদমপাতায় রোদ নড়ে ওঠে,
নদীর ধারে একলা বাতাস বসে থাকেৃ,
তবু মানুষের কোনো মুখ ভেসে ওঠে না।
এই পথ দিয়ে একদিন
মানুষ হেঁটেছিল নিশ্চয়,
ধানের গন্ধে ভরা বিকেল ছিল,
কারও চুলে রোদ ছিল,
কারও চোখে ছিল নীল নদীর মতো স্বপ্ন।
আজ শুধু আমিম
একটি নির্জন ছায়া,
মাঠের প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি দীর্ঘক্ষণ।
রাত আসে, ভোর হয়
তারপর আবার দুপুরের নিস্তরঙ্গতা;
সময়েরা নদীর মতো বয়ে যায়
কেউ ডাকে না আমাকে।
তবু মাঝে মাঝে মনে হয়,
এই পৃথিবীর গভীর নীরবতায়
কোনো হারানো মানুষের পায়ের শব্দ
ধীরে ধীরে ফিরে আসবে।
কিন্তু বাতাস জানে
এই দীর্ঘ পথের শেষে
মানুষ শুধু নিজের নিঃসঙ্গতার কাছেই ফিরে










পাঠক মন্তব্য ও পর্যালোচনা০টি
আপনার মূল্যবান মতামত বা রিভিউ দিন
অতিথি হিসেবে মন্তব্য